Unlimited Powerpoint templates, graphics, videos & courses! Unlimited asset downloads! From $16.50/m
Advertisement
  1. Business
  2. Blog
Business

আপনার পার্সোনাল রেজুমে ওয়েবসাইট কিভাবে একটি ব্লগ দিয়ে আরও উন্নতমানের করে তুলবেন

by
Length:LongLanguages:
This post is part of a series called How to Make a Great Personal Resume Website (Ultimate Guide).
How to Use a Resume Website To Land Your Dream Job

Bengali (বাংলা) translation by Arnab Wahid (you can also view the original English article)

আপনি হয়ত অলরেডি জানেন যে একটি রেজুমে ওয়েবসাইট থাকা কি গুরুত্বপুর্ণ, কিভাবে একটি পার্সোনাল ওয়েবসাইট বানাতে একটি ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচন করবেন, এবং কিভাবে আপনি জব পাওয়ার চান্স বাড়াতে পারেন

আপনি হয়ত এও জানেন যে পার্সোনাল সাইটের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্ভব্য চাকুরিদাতাদের নজর আকর্ষণ করা, যাতে নিজের পছন্দমত একটি জব খুঁজে পেতে পারেন। নিজের পার্সোনাল সাইট থাকলে আপনি এই কম্পিটিশনে বাড়তি সুবিধা পাবেন, যদি আপনি জানেন যে সাইটে কি কি তথ্য তুলে ধরতে হবে।

কিন্তু যদি জানতে চান কিভাবে আপনি আপনার সাইট আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারেন, তবে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি সেটি জানতে পারবেন।

আপনি আপনার রেজুমে সাইট নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারেন একটি প্রফেশনাল ব্লগের মাধ্যমে। ব্লগ নেটওয়ার্কিং এর কাজ করে, এ দিয়ে নিজের কাজ সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের মাত্রা আপনি অন্যদের কাছে তুলে ধরতে পারবেন। ব্লগ সার্চ ইঞ্জিন সার্চে আপনার ভিজিবিলিটি বাড়াতেও সাহায্য করে, এর মানে কেউ কোন জবের জন্য কাউকে যদি গুগলে খুঁজতে যায়, তখন যে আপনাকে খুঁজে পাবে।

Personal resume website professional blog
তো আপনি কি আপনার সাইটে একটি ব্লগ শুরু করতে রেডি? (graphic source)

এখানে, একটি রেজুমে সাইটে একটি প্রফেশনাল ব্লগ অ্যাড করার সুবিধাগুলো আলোচনা করব, কিভাবে সেটি একটি ভালো জব পেতে সাহায্য করবে, সেই ব্যাপারেও কথা বলব।

কেন পার্সোনাল রেজুমে ওয়েবসাইট একটি প্রফেশনাল ব্লগ অ্যাড করবেন

উপরে যেমন বললাম, পার্সোনাল সাইটে ব্লগিং করার অনেক রকম সুবিধা রয়েছে। নিজের দক্ষতার প্রমাণ তুলে ধরা, সমমনা ও আপনার ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য মানুষের সাথে যোগাযোগের সুবিধা ব্লগিং দিয়ে পাওয়া সম্ভব। নিচে উল্লেখ করা হল কি কি কারণে আপনার সাইটে একটি ব্লগ থাকা দরকারঃ

১। ব্লগিং আপনার বিষয় জ্ঞানের প্রমাণস্বরূপ

সব রেজুমেতেই শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করা হয়, কিন্তু তা দিয়ে বিস্তারিতভাবে নিজের যোগ্যতা বোঝানো যায় না। ব্লগিং এর মাধ্যমে উদাহরণ দিয়ে নিজের জ্ঞান ও ধারণা আপনি তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। নিজের ইন্ডাস্ট্রির গুরুত্বপুর্ণ দিক, আপনার নিজের ধারণা, মতামত, বিভিন্ন চলতি বিষয়, আইডিয়া ইত্যাদি ব্লগের মাধ্যমে তুলে ধরে আপনি নিজের পছন্দের ক্যারিয়ারের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন সহজেই।

আপনি আপনার ব্লগে বিগত কাজের অভিজ্ঞতা, কেস স্টাডি, মতামত ইত্যাদি তুলে ধরতে পারেন। আপনি যেই কাজ করতে চান, সেই কাজের জন্য যদি বিশেষ কোন দক্ষতা দরকার হয়, যেমন প্রোগ্রামিং, তাহলে সেই টপিকের উপর টিউটোরিয়াল, টিপস ইত্যাদি লিখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার চাকুরিদাতাকে বোঝাতে সক্ষম হবেন যে আপনি আপনার কাজের ব্যাপারে এই পরিচাম জানেন, যে এখন আপনি অন্যদের এই বিষয়ে শিক্ষা দিতে সক্ষম, এটি তার নজরে পজিটিভ ভাবে আসবে।

২। ব্লগিং দিয়ে নেটওয়ার্কিং হয়

আপনার ব্লগের দ্বারা আপনি নিজের ইন্ডাস্ট্রির অন্য সবার নজরে আসবেন। এর একটি উপায় হচ্ছে, আপনার ব্লগে তাদের মেনশন করা বা ট্যাগ করা, এবং ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের এই ব্যাপারে জানান দেয়া।

মাঝেমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া মেনশন থেকে তৎক্ষণাৎ রেসপন্স পাওয়া যায় না, আবার মাঝেমধ্যে কিছু রিপোস্ট ও শেয়ার পেতে পারেন। যাই হোক, ব্যবসা পাবলিসিটিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার গুরুত্বপুর্ণ।

এভাবে শুধু আপনি মানুষের নজরেই পড়বেন না, বরং এভাবে আপনার নেটওয়ার্ক বড় হতে থাকবে। নতুন রিলেশন তৈরি হতে থাকবে, আর আরও বেশি মানুষের কাছে আপনি পরিচিত হবেন।

৩। ব্লগিং দিয়ে আপনার স্কিল ঝালাই হবে।

যেমন কথায় আছে, "অনুশীলন দক্ষতার চাবিকাঠি"। সময়ের সাথে সাথে আমরা অনেক কিছুই ভুলে যাই, নিয়মিত একটি বিষয় নিয়ে লেখালেখির মাধ্যমে আমরা স্কিল ইমপ্রুভ হবে, আপনি সেটি সহজে ভুলে যাবেন না। এছাড়াও ব্লগিং করতে গিয়ে আপনি নতুন ট্রেন্ড ও কারেন্ট অ্যাফেয়ারস সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবেন। যা আপনার ব্লগের অডিয়েন্ড বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে।

৪। ব্লগিং আপনাকে মানুষের সামনে তুলে ধরবে।

রেগুলার আপডেট হওয়া সাইটগুলো গুগলের র‍্যাংকিং এ উপরে থাকে, এটা আমরা আগে থেকেই জানি। রেগুলার আপডেট হওয়া ব্লগ সার্চ ইঞ্জিনগুলো ক্রল করে দ্রুত ইনডেক্স করে রাখে। নিজের কাজ নিয়ে রেগুলার ব্লগিং করলে, সার্চ ইঞ্জিনগুলো আপনার সাইট ঘন ঘন ইনডেক্স করে আপনার সাইটের র‍্যাংকিং বাড়িয়ে তুলবে, এভাবে আপনি আরো বেশি মানুষের নজড়ে আসবেন।

এভাবে আপনার খ্যাতি বাড়বে, ও সম্ভব্য চাকুরিদাতারা কাজের বিষয় গুগলে সার্চ করলে ব্রাউজ করতে করতে আপনার সাইটে চলে আসার একটি সুযোগ তৈরি হয়।

৫। আপনার ব্লগিং এর কনকেন্ট মানুষ শেয়ার করবে

অনলাইন ওয়েবসাইট সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল্গুলো মতই কাজ করে থাকে। যদি মনে হয়, যে সাইট কেউ অনেকদিন আপডেট করে না, তাহলে সেটার ভ্যালু কমে যায়। এর ফলে ট্রাফিক কমতে থাকবে।

তাই মানুষের সাথে এনগেজ থাকার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ থাকতে হয়। মজার মজার ও কাজের জিনিষ শেয়ার করা লাগে। আপনি আপনার কাজ রিলেটেড আর্টিকেল, ইনফোগ্রাফিক, ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার করতে পারে। সাথে সাথে নিজের সাইটের লেখাও পোষ্ট করতে হবে।

যদি আপনার সাইটে শুধু আপনার শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও বায়োডাটা থাকে, তাহলে রোজ রোজ তা  LinkedIn এ শেয়ার করা হিতে বিপরীত হতে পারে। কিন্তু যদি তার পরিবর্তে ব্লগ পোষ্ট শেয়ার করেন, তবে আপনার জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যাবে। আপনার কাজের দক্ষতা বিষয়ক লেখা আপনার সুনাম বাড়াতে সাহায্য করবে।

পার্সোনাল সাইট শুধু পোর্টফোলিও হিসেবেই কাজে লাগে না। বরং এটি ধীরেধীরে আপনাকে একজন ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট হিসেবে পরিচয় দিতে সাহায্য করবে। কিভাবে এমন করা সম্ভব তা জানতে পড়ুন আমাদের মাল্টি পার্ট সিরিজ, How to Make an Authority Blog ।

আপনার সাইটে ব্লগিং শুরু করার সহজতম উপায়।

ব্লগিং এর সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা। এটি একটি পপুলার প্ল্যাটফর্ম, সারা দুনিয়ার ৩২% সাইট এই প্ল্যাটফর্মে বানানো, এটি দিয়ে ছোট ব্লগ থেকে বড় কর্পোরেট সাইট সহ যা ইচ্ছা বানানো সম্ভব।

যে কারণগুলোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস এত জনপ্রিয়ঃ

  • ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা খুবই সহজ। এটি ইন্সটল করে সাইটে লেখা শুরু করতে মাত্র ৫ মিনিট লাগে।, এটির ড্যাশবোর্ড ব্যবহার শেখা খুবই সহজ একটি কাজ। ওয়ার্ডপ্রেসের পোষ্ট এডিটর একটি সাধারণ ওয়ার্ড প্রসেসস সফটওয়্যার এর মত দেখতে, তাই সহজেই লেখা ও লেখা এডিট করা সম্ভব, ঠিক মাইক্রোসফট ওয়ার্ড না গুগল ডকস ব্যবহার করার মতই। ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি অডিও, ভিডিও, ইমেজ, গ্যালারি বা যে কোন রকমের কন্টেন্ট চিন্তামুক্ত হয়ে শেয়ার করতে পারেন, HTML কোডের কথা চিন্তা না করেই।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহারের জন্য অনেক থিম রয়েছে। এর কিছু ফ্রি, ও কিছু আবার প্রিমিয়াম থিম, তবে যে কোনটা দিয়েই ব্লগিং করার ফিচার দেয়া থাকে আগে থেকেই।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের বেসিক SEO অপটিমাইজেশন বিল্টইন থাকে, সাথে কিছু SEO প্লাগিনও দেয়া থাকে, যাতে সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং এ সাইট তুলে ধরতে সুবিধা হয়।
  • সবশেষে যেটা বলাই লাগে, ওয়ার্ডপ্রেস সম্পুর্ণ ফ্রি, যা আপনি যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন। এর জনপ্রিয়তার জন্য এর সাপোর্ট কমিউনিটি অনেক বড় ও অফিশিয়াল ফোরামে ইউজাররা সদা অ্যাকটিভ থাকে। আর ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে সব করার জন্য অনলাইনে সব রকম ফ্রি ও প্রিমিয়াম টিউটোরিয়াল রয়েছে। ওয়ার্দপ্রেসের সাথে ব্যবহার করার জন্য থিম ও প্লাগিনেরও কোন অভাব নেই মার্কেটে।

ওয়ার্ডপ্রেসের সাথে অন্যান্য জনপ্রিয় ব্লগিং সিএমএস কম্পেয়ার করে দেখুনঃ

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে রেজুমে সাইট ও ব্লগ সেটাপ করতে হয়

রেজুমে সাইটের থিম সেটাপ শেষে, সহজেই তাতে ব্লগ শুরু করা যায়।

১। ব্লগ পেজ সেটাপ

প্রথমে Pages > Add New এ ক্লিক করুন। পেজের নাম দিন Blog, পেজে আর কিছু লেখা দরকার নেই, এরপর Publish ক্লিক করুন। Settings > Reading > Front Page Displays > Posts Page এ যান, নতুন ব্লগ পেজটি ড্রপডাউন থেকে সিলেক্ট করুন, এরপর Save Changes এ ক্লিক করুন।

Adding a blog page to WordPress
ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ পেজ অ্যাড করা।

২। কাজকর্ম প্রফেশনাল রাখা

পেজ সেটাপ শেষে, ব্লগ পেজের স্ট্রাকচার কি হবে সেটা ভাবুন। মাথায় রাখতে হবে যে ব্লগটি যেন রেজুমে সাইটের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ণ হয়। ব্লগ যেন আপনার সাইটে আপনার প্রফেশনাল সাইড তুলে ধরে, পার্সোনাল সাইড না।

জীবণের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করা দরকার নেই প্রফেশনাল ব্লগে। বরং, লেখায় যেন আপনার কাজ ও আপনার কাজের প্রতি আপনার মতামত ও ব্যবসাজ্ঞান ফুটে ওঠে।

৩। কয়েকটি ক্যাটাগরি বানান

ব্লগিং শুরু করার আগে ভেবে নেয়া ভালো যে কি কি ক্যাটাগরিতে কি কি রকম পোষ্ট যাবে। আপনি Posts > Categories > Add New তে গিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরি বানিয়ে নিতে পারবেন। ব্লগে ক্যাটাগরি অ্যাড করলে লেখাগুলো অর্গানাইজ করে রাখতে সুবিধা হয়। আর কাজের কন্টেন্ট মানুষের চোখে পড়তেও সুবিধা। সবাই বিষয়মাফিক প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুঁজে পেতে পারেন সহজেই।

যেমন, আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট পজিশনে জবের জন্য অ্যাপ্লাই করে থাকেন, তাহলে ব্লগে 'কিভাবে ফলোয়ার পেতে হয়', কিভাবে প্রোফাইল অপটিমাইজ করতে হয়, কেস স্টাডি ইত্যাদি রাখতে ক্যাটাগরি রাখতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জবের জন্য অ্যাপ্লাই করলে, ডিজাইনের টিপস, ট্রিকস, টিউটোরিয়ালের ক্যাটাগরি রাখতে পারেন। নিজের শোকেস, পোর্টফোলিও ও প্রজেক্টের আইটেম ও কেস স্টাডিও ক্যাটাগরিতে রাখতে পারেন।

৪। শেয়ারিং প্লাগিন ব্যবহার করুন

সাইটে একটি শেয়ারিং প্লাগিন ইন্সটল করুন, এর সাহায্য আপনার কন্টেন্ট অন্যান্যরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করতে পারবে, যদি আপনার ব্লগ তাদের ভালো লাগে। এতে করে আপনার ব্লগে ট্রাফিক বাড়বে, আপনার নেটওয়ার্ক আরো বড় হবে।

রেজুমে সাইট বানানোর জন্য সঠিক ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ থিমটি বেছে নিনঃ

এখনই আপনার প্রোফেশনাল ব্লগ তৈরি করে নিন।

যেহেতু সাইটে প্রফেশনাল ব্লগিং করা জব খোঁজার কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই ব্লগ মেইনটেইন ও প্রোমোট করতে হয়, এটিও প্রফেশনাল কাজের একটি অংশ হয়ে দাড়ায়। কিন্তু একটু প্ল্যানিং এর সাহায্য এই কাজের ধকল কমিয়ে নেয়া সম্ভব, এতে একটি সফল ব্লগ চালাতে সুবিধা হয়। যেমন একটি প্রফেশনাল ব্লগের উদাহরণ হিসেবে এই সাইটটি দেখতে পারেন Kemie Guaida:

Resume site with a blog
প্রফেশনাল রেজুমে ওয়েবসাইট ব্লগের উদাহরণ।

১। ব্লগিং এর সময়সুচি নির্ধারণ করুন

শুরুর দিকে রোজই ব্লগ আপডেট দিতে ইচ্ছা করবে। এমন করা আসলে ঠিক নয়। এতে আপনার উপর প্রেশার বেশি পড়বে। এর চেয়ে বরং ভেবে চিনতে ভালো কন্টেন্ট কিছু দিন পর পর ব্লগ করা ভালো।

তেমনি, ৩ দিন টানা ব্লগিং করে ১ মাস গায়েব হয়ে যাওয়াও ভালো প্র্যাকটিস না। অনিয়মিত ব্লগিং আপনার অনিয়মের পরিচয় হতে দাড়াতে পারে। এতে জব সার্চে সমস্যা হয়।

দৈনন্দিন কাজের কথা মাথায় রেখে ঠিক করে নিন যে সপ্তাহে কয়ঘন্টা আপনি ব্লগিং এর পিছনে দিতে চান। এই হিসাবে এগিয়ে আপনি সপ্তাহে একটি, বা সপ্তাহের কোন নির্দিষ্ট দিনে একটি পরে ব্লগ পোষ্ট দিতে পারেন। পরবর্তীতে এই শিডিউল মেইনটেইন করে চলার চেষ্টা করবেন।

২। ব্লগ পোষ্টের জন্য মাথা খাটানো

ব্লগিং শিডিউল ঠিক করার পরে, মাথা খাটিয়ে কিছু পোষ্ট আইডিয়া বের করুন আপনার প্রথম কিছু ব্লগ পোষ্টের জন্য। এতে আপনার লেখার জন্য হাতে কিছু টপিক থাকবে, রোজ রোজ কি লিখবেন এটা নিয়ে ভাবাতে সময় নষ্ট হবে না। পোষ্টের টপিক ও ক্যাটাগরিগুলো আপনার ইন্ডাস্ট্রির কাজের সাথে মানানসই হতে হবে।

এখানে কিছু পোষ্ট আইডিয়া উদাহরণ হিসেবে দেয়া হলঃ

  • লিস্ট পোষ্ট বা ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহৃত সফটওয়ার এর রিভিউ।
  • How-to পোষ্ট, আপনি কলেজে বা কর্মক্ষেত্রে যেসব শিখেছেন, সেগুলার টিউটোরিয়াল, যা আপনার জব করতে কাজে দেয়।
  • ইন্ডাস্ট্রির ইনফোগ্রাফিক ও স্ট্যাটিসটিক্স পোষ্ট।

৩। অন্যদের কাজের ক্রেডিটে তাদের নাম উল্লেখ করুন।

ব্লগ লেখা ঠিক টার্ম পেপার লেখার মত না। কিন্তু তার সাথে এটির একটিউ মিল আছে, যেমন জন্য কারো কাজ উল্লেখ করলে সেই কাজের ক্রেডিট হিসেবে তার নাম উল্লেখ করতে হবে। গন্যমান্যদের উক্তি ব্যবহার করার সময় কাদের ক্রেডিট দিতে হবে। ইমেজে কপিরাইট থাকলে সেটার সোর্স উল্লেখ করতে হবে। ইত্যাদি।

টার্ম পেপারের মতই অনলাইনে লেখার সময়, বাইরে থেকে নেয়া তথ্য ও ইমেজের ক্রেডিট ফুটনোটে উল্লেখ করতে হবে। এতে সম্ভব্য চাকুরিদাতারা আপনার রিসার্চ করার ক্ষমতা আন্দাজ করতে পারবেন।

৪। কমিউনিটির সাথে কুশলাদি বিনিময় করা।

আপনার ব্লগ পপুলার হয়ে গেলে, আপনার ব্লগের পাঠকদের সাথে আপনার আলাপ চালিয়ে যেতে হবে, এতে আপনার সাথে মতামত আদান প্রদান করতে পেরে তারা আপনার ব্লগ প্রোমোট করতে আগ্রহী হবে। কেউ ব্লগে কমেন্ট করলে তার জবাব দিন। আপনি যোগাযোগে যত পটু হবেন, আপনার জব পাওয়ার সুযোগ তত বাড়বে।

আপনার পার্সোনাল রেজুমে ওয়েবসাইট একটি ব্লগ দিয়ে আরও উন্নতমানের করে তুলুন।

আপনার ইন্ডাস্ট্রি যেটাই হোক না কেন, প্রফেসনাল ব্লগিং দিয়ে তাতে চাকরি পাওয়া সম্ভব। তাই নিজের সাইট একটি ওয়ার্ডপ্রেস রেজুমে থিম দিয়ে সেটাপ করে ব্লগিং শুরু করে দিন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Looking for something to help kick start your next project?
Envato Market has a range of items for sale to help get you started.