Unlimited Powerpoint templates, graphics, videos & courses! Unlimited asset downloads! From $16.50/m
Advertisement
  1. Business
  2. Outsourcing
Business

কিভাবে আউটোসোর্সিং এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলো পরিমাপ করতে হয়

by
Length:LongLanguages:

Bengali (বাংলা) translation by Arnab Wahid (you can also view the original English article)

আউটসোর্সিং মানে হচ্ছে নিজের ব্যবসার কাজ অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে করিয়ে নেয়া। এটি নতুন কিছু নয়, ১৯৯০ শতকের শুরু থেকে এটি হয়ে আসছে, কিন্তু এর পরিমান ২০০০ এর পর বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়

সাধারণত কাজ বিদেশের কোন যায়গায় আউটসোর্স করা সয়, এতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সময় ও টাকা সাশ্রয় হয়

যদি আপনার এমন কোন কাজ থাকে যেটা অনিয়মিত, তাহলে সে কাজের জন্য ফুল টাইম চাকরী তে কাউকে রাখার দরকার নেই, সে স্ট্যান্ডবাইতে বসে থাকবে। এরচ্যী সেই কাজ পারে এমন কাউকে কাজ আউটসোর্স করে দেয়া ভালো। আবার এমন কাজ যা করার যোগ্যতা আপনার বা আপনার ব্যবসায় কারো নেই, তখন সেই কাজ যোগ্য, অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে দিন। নিজে করা দরকার নেই।

নিজে ব্যবসা ম্যানেজ করবেন, আর কাজ আউটসোর্স করে দিবেন। এতে ডেডলাইন মিস করবেন কম, আর দক্ষতার অভাবে কাজ হারাতেও হবেনা।

যদি কোন কাজ আউটসোর্স করার চিন্তা করে থাকেন, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। এখানে আপনার আউটসোর্সিং এর সুবিধা অসুবিধা আলোচনা করব।

What are the pros and cons of outsourcing and is it right for you
আউটসোর্সিং এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলো কি কি? এটি কি আপনার জন্য ভালো হবে? (graphic source)

নোটঃ জরুরীভাবে কাউকে কাজ আউটোসোর্স করতে চাইলে Envato Studio থেকে প্রফেশনাল কাউকে বেছে নিতে পারেন।

কি কি কাজ আউটসোর্স করা যায়?

আউটসোর্সিং এর আসল উদ্দেশ্য ব্যবসার কাজে যেখানে যেখানে সম্ভব, সেখানেই টাকা ও সময় সাশ্রয় করা। এই নীতি অনুসরণ করে যেসব কাজ আউটসোর্স করা যায়, সেইসব কাজগুলো হলঃ

  • অ্যাকাউন্টিং এবং বুককিপিং
  • সেলস এবং মার্কেটিং
  • কপিরাইটিং
  • ডিজাইন ও ম্যানুফ্যাকচারিং
  • অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ব্যাক অফিস অ্যাসিস্টেন্স
  • কাস্টমার সার্ভিস
  • ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট
  • ওয়েবসাইট মেইনটেইনেন্স
  • গ্রাফিক ডিজাইন
  • এবং আরও অনেক কিছু

অনেক ক্ষেত্রে এমন কিছু ফ্রিল্যান্সার বা কম্প্যানি খুঁজে পাওয়া যায় যারা বিশেষ একটি কাজে পারদর্শী, যেমন ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট। অন্যান্য সময়, দেখা যায় সে বা তারা অনেক রকম কাজে একসাথে পারদর্শী, যেমন গ্রাফিক ও ওয়েব ডিজাইন অথবা কোডিং ও ডেভেলাপমেন্ট

Do you need to outsource graphic design or web projects
আপনার কি গ্রাফিক ডিজাইন বা ওয়েব প্রজেক্ট আউটসোর্স করা দরকার? (photo source)

আউটসোর্সিং এর ৭টি সুবিধা

আউটসোর্সিং দিয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের বিজনেসের যে সুবিধা হয় সেগুলা তুলে ধরা হল।

১। বৃহত্তর ট্যালেন্ট পুল

পৃথিবীর যে কোন যায়গা থেকে আপনি ট্যালেন্ট খুঁজে পাবেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার কাজের জন্য বেষ্ট ক্যান্ডিডেট আপনি নিয়োগ দিতে পারবেন। এখন কেউ লোকাল চাকুরিতে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যবসায়ীরা পৃথিবীর অপর প্রান্তে থাকা কাউকেও নিয়োগ দিতে পারেন।

নিজের দেশের বাইরে কাউকে আউটসোর্স করে কাজ দেয়া অনেক সুবিধার। যেমন দিন রাত চব্বিশ ঘন্টার কাস্টমার সাপোর্ট এর মত কোন কাজ অন্য টাইমজোনের মানুষকে দিয়ে করানো সহজ।

২। আউটসোর্সিং সস্তা

দেশে বিদেশে যেখানেই আপনি কাজ আউটসোর্স করেননা কেন, পাকাভাবে কাউকে চাকুরিতে রেখে কাজ করানোর চেয়ে সেটা অনে সস্তায় করানো যাবে। যে কয়দিন কাজ করা লাগবে সেই কয়দিনের জন্য কাউকে কাজটি আউটসোর্সিং করে করিয়ে নিলে খরচ কমে আসে।

আর গরিব কোন দেশ থেকে মানুষকে কম টাকায় খাটিয়ে নিলে অনেক টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব। এভাবে অনেক কম খরচেই কাজ করিয়ে নিতে পারবেন।

আর এইভাবে কাজের কারণে বড় অফিসেরও দরকার হয়না, তাই ভাড়ার টাকা সহ অন্যান্য অনেক খরচ বেচে যায়।

৩। ব্যবসার প্রসেস করে নেয়া

সব ব্যবসায়ীর একটি বিজনেশ ডকুমেন্ট দরকার হলেও ছোট মাত্রার ব্যবসায়ীরা এটা করার সময় করে উঠতে পারেন না। কিন্তু আউটসোর্সিং করা শুরু করলে সব কাজের ডকুমেন্টেশন মেইনটেইন শুরু করা লাগে, তাই এটি আলাদা করে করা লাগে না।

আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ইমপ্লয়িদের কাজের মান ও প্রসেস ট্র্যাক করা যায়। যাকে যা কাজ করতে দেয়া হয়েছে সে সেই কাজ করেছে কি না তা টের পাওয়া যায়। তাই হিসাব রাখা সহজ হয়ে যায়।

৪। বিশেষ কাজে দক্ষ ট্যালেন্ট ও উন্নত সরঞ্জাম

আপনি সবচেয়ে ভালো ফুল বিক্রেতা হতে পারেন, কিন্তু আপনি গ্রাফিক্সের কাজে দক্ষ নন। তাই গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ আউটসোর্স করে দেয়াই ভালো। এমন কাউকে আউটসোর্স করা উচিৎ যে এই কাজে দক্ষ।

এভাবে কাজ আরও ভালো মানে ও দক্ষ হয়। এতে নিজের কাজও প্রফেশনালি করা যায়। আর অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর হিসাব ট্যাক্স রিটার্নের সময় লাভজনক হয়ে দাঁড়ায়।

৫। দিনরাত ২৪ ঘন্টা কাস্টমার সাপোর্ট

যদি আপনার বিজনেসের মূল কাজ কাস্টমার সাপোর্ট দেয়া হয়, তাহলে সেটা রাত দিন করতে হয় সাধারণত। এই কাজ আউটসোর্সিং এর চেয়ে ভালো উপায়ে করার আর কোন পথ নেই। অন্য টাইমজোনের কাউকে দিয়ে এই কাজ করালে যখন আপনি থাকবেন না, তখনও কাস্টমারকে সাপোর্ট দেয়া সম্ভব।

৬। আউটসোর্সিং এ অনেক সময় বাঁচে

আপনি যে কাজ করতে পারেন না, সেটা অন্য কাউকে দিয়ে করালে নিজের সময় বাঁচে। নিজের সময় বাঁচলে সে ফ্রি টাইম দিয়ে আপনি নিজের কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন। এই সময় আপনি আপনার প্রডাক্টের জন্য নতুন মার্কেটিং প্ল্যান সাজাতে পারবেন। মোটকথা, ব্যবসার কাজ না করে ব্যবসা বেশি করতে পারবেন।

৭। আউটসোর্সিং করে বিজনেস স্কেলিং করা

আরেকটি উপকারিতা হচ্ছে বিজনেস স্কেল করা। কর্মচারিদের দায়িত্বের বোঝা একটু কমিয়ে দিয়ে সেই ফ্রি সময় তারা আপনার বিজনেস স্কেল করার জন্য সহায়ক কাজ করে কাটাতে পারবে। ব্যবসার সময় ব্যবসার কাজে লাগিয়ে শেষ করে ফেললে ব্যবসা আর বাড়ানো যায় না। এই জন্য অন্যদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিজে ব্যবসার বড় করার কাজে আউটসোর্সিং ভাইটাল।

Do you need to outsource coding or development projects
আপনার কি কোডিং/ডেভেলাপমেন্ট প্রজেক্ট আউটসোর্স করা দরকার? (photo source)

৪। আউটসোর্সিং এর বিপদ

এত উপকারের সাথে সাথে আউটসোর্সিং এর অনেক বিপদও আছে। এই ভয়ে বেশিরভাগ মানুষ আউটসোর্স করতে চায় না। আমরা এখন আউটসোর্সিং এর অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব। এ দিয়ে আপনার ফাইনাল ডিসিশন চেঞ্জ হতে পারেঃ 

১। আউটসোর্সিং এর সিকিউরিটি রিস্ক

অন্য কম্পানিকে দিয়ে সেন্সেটিভ কাজ করানো অনেক রিস্কি ব্যাপার।

এই কাজ করার আগে NDA সাইন করে নেয়া দরকার। নাহলে তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয় থাকে। বা এমন কোন সেন্সেটিভ কাজ বাইরে কাউকে না দেয়াই ভালো।

রেগুলার বেসিসে কাজ আউটসোর্স করলে, যাকে কাজ দিচ্ছেন তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে নেয়া ভালো।

২। কিছু কন্ট্রোল ছেড়ে দিতে হয়

অনেকে নিজের বিজনেসের পুরো কন্ট্রোল নিজের হাতে রাখতে পছন্দ করেন। আউটসোর্স করলে সেটা সম্ভব না। আবার খরচ স্কেলিং করতে চাইলে এটা খরচ্চ কমানোর জন্য খুবই খারাপ একটি উপায়।

আপনার একাধিক প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি না থাকলে নিজের ব্যবসার সকল কাজ সামলানো সম্ভব না। কিন্তু অন্যদের সাহায্যে সেগুলো করতে গেলে যথেষ্ট টাকাও খরচ হয়।

৩। কোয়ালিটি কন্ট্রোল এ সমস্যা

দেশের বাইরে কাজ আউটসোর্স করে দিলে, সেটার কোয়ালিটি কন্ট্রোল করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এই বিপদ থেকে বাচার জন্য কাজের ডিটেইলড ডকুমেন্টেশন থাকা জরুরী। তাহলে সার্ভিস প্রসেস থেকে বিচ্যুত হওয়া কম লাগে। কাউকে কাজ দেয়ার আগে তার রেফারেন্স ও টেস্টিমোনিয়াল চভেক করে নেয়া দরকার। তাহলে এই বিপদ সামান্য এড়ানো যায়। তাই রিসার্চ করে নিয়েই কাজ কাউকে দেয়া উচিৎ।

৪। আউটসোর্সিং এর জন্য সম্ভব্য ভাষা বৈষম্য

আউটসোর্সিং করা আনকমন কিছু নয়, অনেকেই এটা করে থাকে। কারেন্সি এক্সচেভঞ্জ রেটের উপর ভিত্তি করে অনেক সস্তায় এশিয়া ও ইওরোপ থেকে কাউকে ভাড়ায় খাটানো যায়। আশেপাশের জেলা থেকেও কাজ সস্তায় করিয়ে নেয়া সম্ভব। কিন্তু সব ফ্রিল্যান্সারের আপনার ভাষায় দক্ষতা না থাকতে পারে। আবার পশ্চিমা বেশিরভাগ ক্লায়েন্ট ইংরএজি ছাড়া অন্য কোন ভাষায় বকলম, তাই কমিউটিকেশনে জটিলতা হতে পারে।

কাস্টমার সাপোর্টের কাজ এমন কাউকে দিয়ে করানো সম্ভব হয় না। তাই অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়। দেখে নিতে হবে যে ফ্রিল্যান্সার ও কাস্টমারের একই ভাষায় সমান দক্ষতা আছে কিনা।

আপনার কি আউটসোর্স করা উচিৎ?

ভালো খারাপ মেপে দেখুন করবেন কি করবেন না। চিন্তা করে দেখুন করলে আপনার কাজ সহজ হয় কিনা, বা সময় বাঁচে কিনা।

বাঁচলে আউটসোর্স করতে পারেন। তা না হলে না করলেও তেমন ক্ষতি নেই। সোশ্যাল মিডিয়া মেইনটেইনের মত ছোটখাটো কাজ আসলে সকল রকম কম্প্যানিই আউটসোর্স করতে পারে। গ্রাফিক্সের কাজ, ব্রোশার ডিজাইন, আপডেটের কাজ, মেইনটেইনেন্সের কাজ ইত্যাদি সময় বাঁচাতে আউটসোর্স করা যায়।

ডাটার উপর ডিপেন্ড করে ডাটা এন্ট্রির কাজ সেন্সেটিভ কিছু না হলে আউটসোর্স করা যায়। সেন্সেটিভ ডাটা নিয়ে কাজ হলে তা বাইরের কাউকে না দেয়াই ভালো। এতে লিক হওয়ার রিস্ক থাকেনা। অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং এর কাজও নিজেরা করা ভালো। ব্যবসার টাকা পয়সার হিসেব বাইরের কেউ জানা অনেক রিস্কের হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই কাজ করার জন্য পার্মানেমট কাউকে চাকরিতে রাখুন।

ফাইনাল ডিসিশন নেয়ার আগে এই কয়েকটি বিষয় ভেবে দেখুনঃ

  • কিভাবে কি কাজ করতে হবে এই জ্ঞান কি আপনার নিজের আছে?
  • সেই কাজ করার সময় কি আপনার আছে?
  • কাজে কি সিরিউরিটি রিস্ক আছে?

সব প্রশ্নের উত্তর হ্য হলে কাজ নিজেই করেন। আউটসোর্সিং করার দরকার নেই। কিন্তু কোনটার উত্তর যদি না হয়, তাহলে আউটসোর্স করা দরকার হতে পারে।

কাজের কোয়ালিটি মেইনটেইন করার ব্যবস্থা করে, থার্ড পার্টিকে দিয়ে কাজ আউটসোর্স করান। এতে সিকিউরিটি রিস্ক কমে। আর সেন্সেটিভ ও প্রাইভেট ইনফরমেশন যেন বাইরে লিক না হয়।

কোথায় ভালো ফ্রিল্যান্সার পাবেন

আউটসোর্সিং করার সিদ্ধান্ত নিলে, ইন্টারনেটে অনেক যায়গা আছে যেখান থেকে ফ্রিল্যান্সার খুঁজে পাওয়া যায়।

ফ্রিল্যান্সার খোঁজার জন্য অন্য কারো রেকমেন্ডেশন চাইতে পারেন। পরিচিত সার্কেলের কাউকে ভাড়া করা সেফ। বা আপনি নিজে গুগলে সার্চ করে করে পছন্দেরর কাউকে খুঁজে নিতে পারেন।

দুই উপায়ে একই কাজ হবে, একটার চেয়ে আরেকটা ভালো না। আর ছাড়াও আপনি এনভাটো স্টুডিও থেকে কাউকে ভাড়া করতে পারেন।

Envato Studio - Outsource your website design and marketing projects
এনভাটো স্টুডিও তে ওয়েবসাট, ডিজাইন আর মার্কেটিং এর জন্য ফ্রিল্যান্সার পাওয়া যায়।

এখানে কাস্টম গ্রাফিক্স এর কাজ, ওয়েবসাইট আপডেট করা, পডকাস্ট এডিট করা বা ভিডিও তৈরি করার জন্য ফ্রিল্যান্সার পাওয়া যাবে।

কন্টেন্টের জন্য লেখকও এখানে পাবেন। তারা সাইট ও ব্লগের জন্য কপি লিখে দিবে। আবার SEO অপটিমাইজ করে আপনার সাইটের ভিজিবিলিটি বাড়ানোর জন্য লোকও পাবেন।

আপনার খালি সিলেক্ট করতে হবে, যে আপনি কি রকম সার্ভিস চান, আর এরপর কাজ শেষ হলে সেটার রিভিউ দাওয়া।

এনভাটো স্টুডিও ব্যবহারের সুবিধা

অন্যান্য মার্কেটে কোয়ালিটির কোন গ্যারান্টি নেই। এখানে অনেক বাছ বিচার করে মানুষ রাখা হয়, তাই এই যায়গায় রিস্ক কম। তাই এটাই আপাতত বেষ্ট।

এনভাটো স্টুডিও এর আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, এখানে যা যা খরচ হয়, তার বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়। কোন সারপ্রাইস ফি বা হিডেন ফি চার্জ করা হয় না। আপনি মাত্র একটি প্রজেক্টের জন্য পে করতে পারেন। আর এই পদ্ধতিতে বায়ার সেলার দুজনেই রিস্ক কমিয়ে সাবধানে কাজ করার গ্যারান্টি পায়।

তো, আপনি কি আউটসোর্সিং করতে চান?

এখানে অনেক দেখার ব্যাপার স্যাপার আছে। আউটসোর্সিং করে যদি আপনার ব্যবসার সুবিধা হয়, যদি টাকা ও সময় বাঁচে, তাহলে করুন।

আউটসোর্সিং শুরু করলে, আস্তে ধীরে বুঝতে পারবেন এটি আপনার জন্য সুবিধা হচ্ছে কিনা, এরপর মাপ মত বেছে কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। এনভাটো স্টুডিও থেকে ফ্রিল্যান্সার ভাড়া করে কাজ করানো অনেক সেফ, যেমন কোডিং বা ওয়েবসাইট বানানো ইত্যাদি।

Advertisement
Advertisement
Looking for something to help kick start your next project?
Envato Market has a range of items for sale to help get you started.