Students Save 30%! Learn & create with unlimited courses & creative assets Students Save 30%! Save Now
Advertisement
  1. Business
  2. Income
Business

কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম শুরু করবেন (এখনই শুরু করুন)

by
Difficulty:BeginnerLength:LongLanguages:
This post is part of a series called How to Create Passive Income (Complete Beginner’s Guide).
Passive Income: How to Stop Trading Your Time For Money
15+ Quick, Easy Ways to Start Generating Passive Income

Bengali (বাংলা) translation by Arnab Wahid (you can also view the original English article)

আগের দুটা টিউটোরিয়াল প্যসিভ ইনকাম কি এবং অ্যাক্টভ ইনকামের সমস্যা আর্টিকেলে আমরা সময়ের বিনিময়ে টাকা নিয়ে কথা বলেছি। এই টিউটোরিয়ালে আমরা দেখব কিভাবে নিজের প্রথম প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্ট শুরু করা যায়।

কুইক রিক্যাপঃ অ্যাক্টিভ বনাম প্যাসিভ ইনকাম

টিউটোরিয়াল শুরু করার আগে জেনে নিন প্যাসিভ ইনকাম আসলে কি, এটার সাথে অ্যাক্টিভ ইনকামের তুলনা কেমন এবং এর সুবিধা অসুবিধা।

অ্যাক্টিভ আয়

সময়ের বিনিময়ে টাকা হচ্ছে অ্যাক্তিভ ইনকাম প্রতি ঘন্টা কাজ করে যদি ১০ ডলার করে পান, তাহলে সেটা অ্যাক্তিভ ইনকাম। ওয়েব ডিজাইন করে মাসে ৫০০০ ডলার পেলে সেটাও অ্যাক্টিভ ইনকাম। একটি আর্তিকেল লিখে ১০০ ডলার পেলে, সেটা কি? সেটাও অ্যাক্টিভ ইনকাম। এই রুল ফলো করে কামানো সব ইনকামের দিকে খেয়াল করলেও বোঝা যাবে, এগুলো আসলে সময়ের বিনিময়ে টাকার হিসাব ছাড়া কিছু না।

সমস্যা হচ্ছে অ্যাক্টিভ ইনকাম ফ্লেক্সিবল না। কাজের জন্য টাকা পেতে অন্যের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। ঝামেলা বাধলে, চাকরীও চলে যেতে পারে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অফিসে বসে থাকা লাগে টাকার জন্য।

প্যাসিভ ইনকাম

প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে পণ্য বা সেবার বিনিময়ে টাকা। উদাহরণ হিসেবে ইবুক ধরা যেতে পারে। মাষ বা বছর লাগিয়ে বই লিখে শেষ করার জন্য কি হয়? আপনার লেখার জন্য কেউ ঘন্টায় ৫০ ডলার করে দিবে না। কিন্তু শেষ হলে, বই ঠিকই কিনে নিয়ে পরবে। একটি পলুলার বই সেল করে হাজার হাজার ডলার মাসে কামানো যায়। আপনি বসে তখন প্যাসিভ ইনকাম রিসিভ করবেন।

বাস্তবে প্যাসিভ ইনকাম আরেকটু জটিল। সময় লাগে। প্রোডাক্ট বানাতে বা সার্ভিস দিতে, অনেক সময় লাগে। থিওরি হচ্ছে, প্যাসিভ ইনকামে অ্যাক্টিভ ইনকামের চেয়ে কম কষ্ট করে বেশি টাকা পাওয়ার কথা। আবার প্যাসিভ ইনকাম আইডিয়া ফ্লপ হয়ে লাখ লাখ দেনাও হয়ে যেতে পারে।

কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম শুরু করবেন

রিক্যাপ এই পর্যন্ত পড়ে ফেললে নিশ্চই আপনি প্যাসিভ ইনকামের পিছনে কিছু সময় ও টাকা খরচ করতে প্রস্তুত হয়ে এসেছেন, তো আসুন দেখি কি করা যায়।

মেপে দেখাঃ শুরু করার জন্য কি কি আছে?

অনলাইনে অনেক ফ্রড আশ্বাস দিয়ে থাকলেও, প্যাসিভ ইনকাম দিয়ে স্টেবিল ইনকাম তৈরি করা অনেক কঠিন। ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে বই লিখিয়ে সেটা এমাজনে পাবলিশ করে দিলেও বিক্রির টাকায় আপনি কোটিপতি হয়ে যাবেন না। কয়েকটা কপি বিক্রি হবে, কিন্তু এরপর ব্যবসার প্রসার করা সম্ভব হবে না। তাই শুরু করার আগে মার্কেট যাচাই করতে হয়।

আগে কোন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ না বানিয়ে থাকলে ফেসবুকের মত সোশ্যাল মিডিয়া সাইট তৈরি করে সেটা দিয়ে বড়লোক হয়ে যাওয়ার চিন্তা না করাই ভালো। তেমনি, আগে ছবি তুলে না থাকলে, স্টক ইমেজ সাইট যেমন ফটোডুনে ছবি বিক্রি করার চিন্তা করেও লাভ নেই।

প্যাসিভ ইনকামের জন্য কোন কাজ শুরু করার আগে ভাবুনঃ

১। আপনার কেন প্যাসিভ ইনকাম দরকার?

লক্ষ্য কি?

  • "অবসরে টাকা আয়!"
  • "কাজের চিন্তা না করে বিশ্বভ্রমণ!"
  • "৩৫ বছরে রিটায়ারমেন্ট!"

এইসব বাজে স্লোগান দিয়ে বিভিন্ন প্যাসিভ ইনকাম সাইট তাদের পণ্য বিক্রি করে। তারা অনেকে মানিব্যাক গ্যারেন্টিও দিয়ে থাকে। যদিও অনেকেই এমনটা চায়, আপনিও কি তাইই চান?

যদি তাই হয়, তাহলে সাহায্যের জন্য আমরা আছি। কিন্তু এছাড়াও প্যাসিভ ইনকামের জন্য অন্যান্য কারণ আছেঃ

  • মাসিস খরচের জন্য এক্সট্রা কিছু টাকা দরকার? নতুন ভিডিও গেম কেনার জন্য বাড়তি খরচ দরকার?
  • পেনশন ফান্ড রেডি করতে টাকা দরকার? যেন, বয়স হলে টাকা নিয়ে চিন্তা করতে না হয়?
  • নিজেকে লেখক হিসেবে পরিচয় দিতে চান? কারণ এমাজনে আপনার একটি বই আছে সেল এর জন্য?
  • এমন হাজারটা কারণ থাকতে পারে।

লক্ষ্য কি সেটার ওপর ভিত্তি করে প্যাসিভ ইনকাম করার অনেক উপায় রয়েছে। কয়েকশ টাকা এক্সট্রা ইনকামের জন্য এক রকম উপায়, আবার কয়েক লাখের জন্য অন্য রকম। এই জন্য কি লাগবে এটা মাথায় রেখে সেভাবেই কাজ করতে হবে।

২। লক্ষ্য পূরণের জন্য কি প্যাসিভ ইনকাম দরকার আছে?

আমি এখন ফ্রেঞ্চ একটি স্কি রিসর্টে বসে এই আর্টিকেলটি লিখছি। এই শীতে প্রায় প্রতিদিন আমি এখানে স্কি করেছি। আমি এটার খরচ আমার প্যাসিভ ইনকাম থেকে দিচ্ছি না, বরং লেখালেখির অ্যাক্টিভ ইনকাম থেকে দিচ্ছি। আমার লক্ষ্য ছিলো ভ্রমণ করা, যেটা আমি অ্যাক্টিভ ইনকাম দিয়ে করছি। এভাবেই, সকলের সিচুয়েশনই ভিন্ন ভিন্ন হয়।

আপনার কাজে আপনার দক্ষতা ভালো করে, প্যাসিভ ইনকামের পিছনে এত সময়  নষ্ট না করে, অ্যাক্টিভ ইওকাম দিয়েই বেশি কামাই করা সম্ভব। কারণ বেশিরভাগ সময়ই প্যাসিভ ইনকামের খাটুনি দিয়ে কোন লাভ হয়না।

তাড়াতাড়ি রিটায়ার করতে চাইলে, মিস্টার মানি মাস্টাশের মত কম খরচ করে চলাই বেটার।

আর যদি এমন হয়, এখন যেই কাজ করছে সেটা আপনার পছন্দ না, তাই প্যাসিভ ইনকামের কথা চিন্তা করছেন, তাহলে আপনার এখনকার কাজ বাদ দিয়ে করতে ভালো লাগে এমন কিছু করাই বেটার। প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্ট তৈরি করতে অনেক সময় লাগে। এই কাজ করার কোন শর্টকাট নেই।

যদি অল্প কিছু বেশি টাকায় আপনার মাসিক জীবণযাত্রায় অনেক পরিবর্তন আসে, তাহলে আপনার বসকে বেতন বাড়িয়ে দিতে বলুন।

প্যাসিভ ইনকাম সম্পর্কে পড়তে অনেক ভালোই লাগে, কিন্তু বাস্তবে কাজটা করতে অনেক কষ্ট হয়। আর কোন গ্যারেন্টি নেই যে এতকিছু করে কোন টাকা কামানো সম্ভব হলে আসলেই। লক্ষ্য পূরণের আরো সহজ উপায়ও থাকতে পারে।

আমি আপনাকে বলছিনা যে প্যাসিভ ইনকাম কাজ করে না, কিন্তু শুরুর আগে এসব জেনে রাখা ভালো। অনেকেই ভাবে সমস্যা সমাধানে প্যাসিভ ইনকাম কাজে আসে। আসলে অনেক সময়ই আসে না। মাসের পর মাস কষ্ট করে প্যাসিভ ইনকামের রাস্তা রেডি করলে অন্তত লক্ষ্য পূরণ হওয়া উচিৎ।

৩। নিজের স্কিল যাচাই করুন

সবার প্রথমে নিজের স্কিল যাচাই করে দেখুন, আপনার দ্বারা কি কি কাজ করা সম্ভব।

প্যাসিভ ইনকাম সাকসেসফুল করতে, সময়, দক্ষতা ও আইডিয়া ম্যানেজ করতে হবে। যথেষ্ট সময় না দিলে প্রজেক্ট ফেইল করবে।

যেমন, বই লেখা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। বেশিরভাগ প্রফেশনাল লেখকরা একটা বই লিখতে এক বছর বা তারও বেশি সময় নেন। আর আগে থেকে কেহালেখির অভ্যাসও থাকতে হয়। কয়েক সপ্তাহে একটা বই লিখে ফেলতে চাইলে-রেজাল্ট ভয়াবহ খারাপ হবে। আর বাজে প্রোডাক্টের রিভিউ খারাপ হয়, সেল হয়না।

তাই হাতের সময় কিসে ইনভেস্ট করা যায় ভেবে দেখুন। পরের আর্টিকেলে আমরা দেখবো, কিভাবে কিছু প্যাসিভ ইনকাম আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে হয়।

আর কিছু না পারলে, প্রায় বেশিরভাগ কাজই এনভাটো স্টুডিওর মত বড় মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সারদের আউটসোর্স করে দিয়ে করানো যায়। আগে কোন ম্যানেজমেন্ট পজিশনে থাকার অভিজ্ঞতা না থাকলে কাউকে ঝট করে কাজে রেখে ঠিক মত কাজ করিয়ে নেয়াও সমস্যা হবে। ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কিভাবে কাজ করতে হয়, সেটা পরের এক আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে।

৪। রিয়েলিস্টিক এক্সপ্রেশন

নতুন প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্ট শুরু করার আগে রিয়েলিস্টিক এক্সপেক্টেশন রাখা জরুরী। যেমন ভেবেছেন তার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে, বেশি কঠিনও হতে পারে। আর কত ইনকাম হবে এটারও রিয়েলিস্টিক আইডিয়া থাকতে হবে।

থাকলে, পরে কাজে সুবিধা হয়। সমস্যা হলে সামলানো সহজ হয়। ছোট ছোট ১০টা প্রজেক্ট বানাতে কয়েক বছর লাগলেও সমস্যা নেই যদি প্রতিটা থেকেই অল্প অল্প করে ইনকাম আসে। বড় একটা আইডিয়ার থেকে এই সিস্টেমে কাজ করা ভালো। প্রথম আইডিয়া থেকেই সব পাওয়ার চিন্তা করা অনেক বিপদজনক।

উদাহরণস্বরূপ, নিচে দেখুন আমার প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্টের কি অবস্থা। আমি গ্রাফিকরিভারে একটা ফটোশপ অ্যাকশন সেল করি যেটা দিয়ে ছবি হলিউডের মুভির স্ক্রিনশটের মত করা যায়। আমি এটা ডিসেম্বরে লঞ্চ করার পরে, ৬ ডলার দামে এটার ৪ কপি সেল হয়েছে। এনভাটোর কমিশন বাদ দেয়ার পরে আমি তা থেকে ১২.৪৮ ডলার পেয়েছি।

sales
গত চার মাসে আমার অ্যাকশন সেলের লিস্ট।

এটা কি ব্যর্থতা? আসলে, না। বেচা কম হলেও আমি মনে করি এটা সাকসেস। আমি যে কাজ পারি, সেটা দিয়েই এই অ্যাকশন তৈরি করেছি - আমি একজন ফটোশপ ইন্সট্রাক্টর - এটা বানাতে এক বেলা লেগেছে।

আমি দেখতে চাইছিলাম আয়ের কি কি সুযোগ গ্রাফকরিভারে রয়েছে এবং সেখানে কিভাবে একটা পণ্য সেল করতে হয়।

উত্তরঃ ভালো সুযোগ রয়েছে, সঠিক টার্গেট থাকলে সহজও। আমি গ্রাফিকরিভারের একজন মুখ্য ফটোশপ অ্যাকশন অথর যার ১০ লাখ ডলারের বেশি সেল হয়েছে। এথেকে বোঝা যায় পপুলার আইটেম কত সেল হয়।

আগামী কয়েক মাসে আমি আরো অ্যাকশন বানিয়ে সেল করার চেষ্টা করব। কিন্তু এখন প্যাসিভ ইনকাম নিয়ে কাজের সময়। যখন ৫০ বা ১০০ ডলারের সেল হবে, তখন আমি এটা ইউথড্র করব।

ছোট টার্গেট, কিন্তু রিয়েলিস্টিক। আর এটা সময়ের সাথে সাথে ইমপ্রুভ হবে।

কিভাবে আপনার প্রথম প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্ট শুরু করবেন

কেন প্যাসিভ ইনকাম দরকার তার কারণ ঠিক হলে, কোন প্রয়েজত করতে চান, ঠিক করুন। রিসেলিস্তিক এক্সপেক্টেশন রাখুন। এখন শুরু ক্রয়ার সময়। আসুন দেখি কিভাব আপনার প্রথম প্রজেক্ট থেকে ইনকাম করবেন।

১। মার্কেট যাচাই করুন

অন্যদের পরামর্শ নিন। দেখুন মার্কেটে কিসের ডিমান্ড আছে। কোন ডিমান্ড পূরণ করার মত কোন স্কিল আপনার আছে কিনা।

পপুলার ডিমান্ড ক্যাটাগরির মধ্যে একটি প্রোডাক্ট বানালে সেটা ভালো পারফর্ম করবে। এমন কোন প্রোডাক্ট বানাতে যাবেন না যেটার মার্কেটে কোন চাহিদা নেই।

মনে রাখতে হবে, এখানে বেশি টাকা খরচ করার দরকার নেই। মার্কেট রিসার্চ শুরুতে বেসিক রাখলেই হবে। আপনার প্রোডাক্ট আইডিয়ার সাথে মিল আছে এমন প্রোডাক্ট যদি মানুষ কিনে থাকে, তবে সেটা সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২। রিয়েলিস্টিক গোল সেট করা

এখন গোল সেট করে নিন।

প্রথম ধাপে গোল যেন টাকা না হয়, এটা হতে হবে প্রজেক্ট কমপ্লিট করা নিয়ে। এরপর কয়েকমাস লাগবে আয় আসা শুরু হতে। তাই প্রজেক্ট শেষ করাই প্রথম গোল হতে হবে।

প্রোডাক্ট বানাতে কি কি করতে হবে সেটার একটা লিস্ট করুন। লিস্ট করা থাকলে গোলে পৌছাতে সুবিধা হবে। ভালো মত গোল সেট করার ব্যাপারে কিছু তথ্যঃ

৩। কিছু সময় রাখুন

গোল ঠিক মত এচিভ করার জন্য, প্রতি গোলের জন্য যথেষ্ট সময় রাখুন। শুধু কাজের জন্য কাজ করলে হবে না, কাজ আগ্রহ সহকারে করতে হবে।

তাই কখন কাজ করবেন, সেটা ঠিক করে ফেলুন। অনেক সফল লেখকরা, যেমন স্টিভেন কিং, ফুল টাইম জবের পাশাপাশি লেখালেখি করে তাদের প্রথম বই পাবলিশ করেন। লেখার সময় পেতে তারা কয়েক ঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠতেন, বা কয়েক ঘন্টা বেশি জাগতেন।

প্যাসিভ ইনকাম সিরিয়াসলি নিতে চাইলে আপনিও তাই করুন। কিছু সময় এই কাজের জন্য আলাদা করে রাখুন।

৪। আগে আগে শুরু করুন

অপেক্ষা করবেন না। এখনই শুরু করেন।

কাজ শুরু করার পার্ফেক্ট কোন সময় নেই, তাই শুরু করাই ভালো। বেশি রিসার্চ, বেশি টিউটোরিয়াল দেখে, বেশি প্ল্যানিং করে বসে থাকবেন না। আপনার ভালো কোন আইডিয়া থাকলে ফেলে না রেখে কাজ শুরু করে দিন।

৫। কাজ সংক্ষিপ্ত রাখুন

তাড়াতাড়ি শুরু করুন, আর প্রথম খসড়াটি সংরক্ষণ করুন। হেলায়ফেলায় সময় নষ্ট করলে কাজ কখনই শেষ হবে না। তাই কোন রকমে কাজ দাঁড়া করিয়ে ফেলা ভালো। কাজ শেষ না করার চেয়ে কাজ চলার মত কিছু একটা দাঁড়িয়ে যাবে।

শেষ কথা

এই আর্টিকেলে, আমরা দেখলাম কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম করতে হয়।

প্যাসিভ ইনকামের উপায় দাঁড়া করানো অনেক কঠিন একটা কাজ। আপনি যদি মনে করেন কয়েকদিনে দুনিয়া তাক লাগানো কিছু বানিয়ে ফেলবেন, তাহলে হতাশই হবেন।

তার পরিবর্তে, ঠিক মাইন্ডসেট রেখে কাজে মনোযোগ দিন। গোল এচিভ করতে ট্রাই করুন।

আপনি কি প্যাসিভ ইনকাম করা অলরেদি শুরু করে দিয়েছেন? বা, আপনার প্রথম প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্ট শুরু করার কথা ভাবছেন? প্রজেক্টের কাজ করে কতদূর এগিয়েছেন?

Advertisement
Advertisement
Looking for something to help kick start your next project?
Envato Market has a range of items for sale to help get you started.